দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুল চিকিৎসায় মাইশা আক্তার (১৬) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
রোববার (২৮ জুন) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মাইশা জেলার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট পশ্চিমপাড়া এলাকার মো. আশরাফুল মিয়ার স্ত্রী ও সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের শিলাউর গ্রামের শরিফুল ইসলামের মেয়ে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে মাইশাকে রোববার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বেসরকারি মডার্ণ এক্সরে ও প্যাথলজি ক্লিনিকে আনা হয়। সেখানে মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পি, বি রায় সুপ্রিয়ের কাছে চিকিৎসা নেওয়া হয়। এ সময় তিনি চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেন। ব্যবস্থাপত্রে তিনি ট্রাইজোন ইনকেজশন ও নেবুলাইজ করার পরামর্শ দেন। পরে ডাক্তার পি বি রায় সুপ্রিয়ের সহকারী সুধাংশু ক্লিনিকে মাইশার শরীরে একটি ইনজেকশন দেন। এর পরপরই মাইশা অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবস্থা বেগতিক দেখে সহকারী সুধাংশু তড়িঘড়ি করে মাইশাকে পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তির পরামর্শ দেন। কিন্তু জরুরি বিভাগেই মাইশার মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, ভুল চিকিৎসার কারণে মাইশার মৃত্যু হয়েছে। তারা এ ঘটনায় বিচারের দাবি করেছেন।
তবে ভুল চিকিৎসায় মাইশার মৃত্যুর অভিযোগ অস্বীকার করে চিকিৎসক পি, বি রায় সুপ্রিয় বলেন, তিনি অসুস্থ মাইশাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য ব্যবস্থাপত্র দিয়েছিলেন। সদর হাসপাতালে মাইশার মৃত্যু হয়েছে। সহকারী সুধাংশু ওই নারীকে ইনজেকশন দিয়েছে বলে তিনি জেনেছেন, তবে সেটি তার চেম্বোরে নয়। তার ধারণা, ইনজেকশন দেওয়ার সময় ভয় পাওয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডাক্তার নোমান মিয়া বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে অথবা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
/অ